সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে উপজেলা সদরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম ওেউপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তারেক হাসানের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আজ বিকেলে উপজেলা সদরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে প্রথমে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তারেক হাসান বলেন, ‘সাতপাড়া বাজারে আমার দলীয় অফিস আওয়ামী লীগের লোকজন ভাঙচুর করেছে। এ নিয়ে আলোচনা করতে আমি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি বিষয়টি সমঝোতা করতে চান। কিন্তু বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সিরাজুল ইসলামের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়, এতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।’=
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্য একজন ফোন রিসিভ করে জানান, ঝগড়াঝাটির ঘটনায় তিনি ব্যস্ত আছেন।
তবে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল বললেন, ‘বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো মারামারি হয়নি। কথা কাটাকাটি হয়েছে।’
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলা বিএনপি ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়কের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তিন-চারজন সামান্য আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’