ভারত-পাকিস্তান মহারণ আজ                       গাজীপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের স্ত্রী ও ছাত্র খুন                       রাজধানীতে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২                       নাটোরে র‌্যাবের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' মাদক ব্যবসায়ী নিহত                       ম্যাচ সেরা মুশফিক       

ক্লিনটন থেকে ট্রাম্প

কিন্তু পরে জানা যায়, মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে তাঁর সেই সম্পর্ক ছিল। মিথ্যা বলার অভিযোগে মার্কিন কংগ্রেসে ক্লিনটনের বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাবও উঠেছিল। আজ আবারও যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে।অনেক রাজনীতিকের ক্ষেত্রেই এমন একটা বিস্ফোরক অভিযোগে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানার কথা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো স্বাভাবিক রাজনীতিক নন। সাংবাদিক আরন ব্লেক ওয়াশিংটন পোস্ট-এ লিখেছেন, ‘ট্রাম্পের গোলযোগপূর্ণ প্রশাসনে এই অভিযোগ বড় কোনো খবরই নয়।’মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ১২ জানুয়ারি এক প্রতিবেদনে দাবি করে, ২০০৬ সালে স্টেফানি নামে এক পর্নো তারকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন ট্রাম্প। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাসখানেক আগে ওই পর্নো তারকার মুখ বন্ধ রাখতে এক আইনজীবীর মাধ্যমে তাঁকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু এমন একটা অভিযোগ ট্রাম্পের ক্ষেত্রে কোনো আঁচড়ই কাটতে পারছে না—এর ব্যাখ্যা খুঁজতে গিয়ে এখন মাথার চুল ছিঁড়ছেন বিশ্লেষকেরা।হোয়াইট হাউসের ২২ বছর বয়সী শিক্ষানবিশ মনিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ যখন উঠেছিল বিল ক্লিনটনের বিরুদ্ধে, তখন তিনি প্রেসিডেন্ট। আর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে সময়টায় পর্নো তারকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে, তখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ একজন নাগরিক ছিলেন। যদিও তিনি সে সময় বিবাহিত ছিলেন।বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টব বেরকোভিৎজের মতে, অতীতের কেলেঙ্কারি উতরে যাওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্প অস্বাভাবিক সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প হলেন ব্যতিক্রম।’আর পেনসিলভানিয়ার ফ্রাঙ্কলিন অ্যান্ড মার্শাল কলেজের সেন্টার ফর পলিটিকস অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক জি টেরি ম্যাডোনার ভাষ্য হলো, যে সময়টায় হ্যাশট্যাগ মি টু (#MeeToo) আন্দোলনে ভেসে যাচ্ছে বিশ্ব, ঠিক সেই সময় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে তেমন আগ্রহই নেই। বিষয়টা তাঁকে বেশ অবাক করেছে। ম্যাডোনাসহ অন্য বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস থেকে বড় বড় খবরের ডঙ্কায় এই কেলেঙ্কারির খবরটি চাপা পড়ে যাচ্ছে।তবে এই কেলেঙ্কারি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এলেও ট্রাম্পের ভয়ের কিছু নেই বলেই মনে করছেন ম্যাডোনা। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের সময়ে হৃৎস্পন্দনের ফাঁকেই যেকোনো কিছুর পরিবর্তন ঘটে যেতে পারে। তবে এই কেলেঙ্কারি নিয়ে যদি বলতে হয়, ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে টলাতে যথেষ্ট শক্তিশালী নয় তা।’সাংবাদিক অলিভিয়া নুজ্জির মতে, ট্রাম্পের এত কেলেঙ্কারি যে, এগুলোর মাঝে এক দশক আগের ওই যৌন কেলেঙ্কারি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেনি।বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের টব বেরকোভিৎজের মতে, ঠিক এই জায়গাতেই ক্লিনটনের সঙ্গে ট্রাম্পের পার্থক্য। ক্লিনটনের সময়টা ছিল এমন যে, কোনো অভিযোগই নিরুত্তর থাকবে না। কিন্তু ট্রাম্পের সময়টা হলো অভিযোগ ওঠামাত্র মুঠোফোন হাতে নিয়ে টুইট শুরু করে দেওয়া। আর তাতে অবশ্যই তিনি নতুন এমন কিছুর সূত্রপাত ঘটান, যাতে আগের বিষয়টি চাপা পড়ে যায়।


  • ক্রাইমনিউজবিডি.কম

    © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    সম্পাদক ও প্রকাশক:
    মোঃ গোলাম মোস্তফা
    সুইট -১৭, ৫ম তলা, সাহেরা ট্রপিক্যাল সেন্টার,
    ২১৮ ডঃ কুদরত-ই-খোদা রোড,
    নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইল - ০১৫৫৮৫৫৮৫৮৮,
    ই-মেইল : mail-crimenewsbd2013@gmail.com

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
    অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
    প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক

  • সামাজিক মাধ্যম