৩ সিটিতে একক প্রার্থী দেবে ২০ দল                       শুধু স্টেডিয়ামের জন্য ১১ কিলোমিটার সেতু                       খালেদা জিয়ার ঈদের দিন যেভাবে কাটলো                       বৈরী আবহাওয়ায় কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ                       সেলফি তুলতে প্রাণ গেল দুই মেয়ের       

পাঁচ বছরেও চার আসামির ঠিকানা পায়নি পুলিশ

আট পুলিশ কর্মকর্তা মামলাটি তদন্ত করেন। গত রোববার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দেওয়া অভিযোগপত্রে মূল পরিকল্পনাকারীকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহত ব্যক্তির পরিবার। মামলাটি আবার তদন্তের জন্য আদালতে নারাজি আবেদন করবেন মামলার বাদী।২০১২ সালে নগরের হালিশহর এলাকায় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে মাসউদকে। তখন চট্টগ্রাম কলেজের স্নাতক সম্মান চতুর্থ বর্ষে পড়তেন তিনি। মা-বাবার একমাত্র ছেলে মাসউদ। লেখাপড়ার জন্য তাঁকে সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছিল।মামলার বাদী ও নিহত ব্যক্তির চাচা নোয়াব আলী চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, তাঁর ভাতিজাকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদুল ওরফে চশমা বাবুসহ চার আসামিকে বাদ দিয়ে পাঁচ বছর পর গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে। ঘটনার তিন বছর পর গোয়েন্দা পুলিশও তাদের বাদ দিয়েছিল। এ জন্য নারাজি দিলে আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তাই আবারও নারাজি দেওয়া হবে।২০১২ সালের ৭ আগস্ট হালিশহর জে ব্লক এলাকায় মাসউদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় চাচা নোয়াব আলী চৌধুরী বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি হালিশহর থানার পুলিশ তদন্ত করে। এক বছর পর মামলাটি তদন্তের জন্য গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশে আসে। তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুল করিম ২০১৫ সালের ২৮ মে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন।মূল আসামিদের বাদ দেওয়ায় অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দেয় মাসউদের পরিবার। আদালত তা মঞ্জুর করে ওই বছরের ২৯ জুলাই মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।আদালতে জমা দেওয়া সিআইডির অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে, মাসউদ চৌধুরী হালিশহর জে ব্লক এলাকায় একটি মেসে থাকতেন। মেসের পাশে জাফর ইসলাম নামের এক ব্যক্তির একটি মুদির দোকানে বসে মাঝেমধ্যে আড্ডা দিতেন। ২০১২ সালের ৫ আগস্ট তরল দুধ সরবরাহকারী মহিউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে ওই মুদিদোকানির হাতাহাতি হয়। এর জের ধরে একই বছরের ৭ আগস্ট রাত সাড়ে আটটার দিকে আসামি মহিউদ্দিন কাদেরের নেতৃত্বে ওই দোকানে হামলা চালানো হয়। দোকানদার জাফরকে না পেয়ে ৮ থেকে ১০ জন আসামি মাসউদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।অভিযোগপত্র আসামি করা হয় মহিউদ্দিন কাদের, সাইফুল ইসলাম, আবদুল খালেক, মো. গণি, ফয়সাল মাওলা, জাফর ইসলাম, মো. রিয়াদ (এরা গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে রয়েছেন), বাকি পলাতক আট আসামি হলেন শাহাদাত হোসেন, মো. দুলাল, মো. রুবেল, সিটি রুবেল, মইন উদ্দিন, মো. টিটু, মো. সোহেল ও মো. রিপনসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগপত্রে আসামি জাহিদুল ওরফে চশমা বাবু, মাহফুজ, শামীম, মুন্না ও আলমগীরকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। এতে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, তদন্তে ঠিকানা উদ্‌ঘাটিত না হওয়ায় অব্যাহতি দেওয়া হলো। ঠিকানা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডি চট্টগ্রামের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণে যাদের বিরুদ্ধে খুনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, তাদের আসামি করা হয়েছে।নিহত মাসউদের বাবা স্কুলশিক্ষক আনোয়ার চৌধুরী বলেন, পাঁচ বছর তদন্ত করেও পুলিশ আসামির ঠিকানা বের করতে পারেনি। এটা খুব দুঃখজনক।


  • ক্রাইমনিউজবিডি.কম

    © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    সম্পাদক ও প্রকাশক:
    মোঃ গোলাম মোস্তফা
    সুইট -১৭, ৫ম তলা, সাহেরা ট্রপিক্যাল সেন্টার,
    ২১৮ ডঃ কুদরত-ই-খোদা রোড,
    নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইল - ০১৫৫৮৫৫৮৫৮৮,
    ই-মেইল : mail-crimenewsbd2013@gmail.com

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
    অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
    প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক

  • সামাজিক মাধ্যম