দেশ-ভাষার মতো নজরুলও অমর হয়ে থাকবেন’                       বিশ্বভারতীতে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন                       শান্তিনিকেতনে ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।                       ইন্টারনেটের গতি ফিরতে লাগবে আরও দুদিন                       ‘বন্দুুকযুদ্ধে’ কুষ্টিয়ায় দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত       

আলোচনা করে সময় নষ্ট করছেন টিলারসন

রোববার এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘কর্মশক্তি সঞ্চয় করো রেক্স, আমরা যা করার তা করব।’ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন কূটনৈতিক উপায়ে উত্তর কোরিয়া সংকট নিরসনের ইঙ্গিত দিয়ে সম্প্রতি বলেন, পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ‘সরাসরি’ আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ ব্যাপারে টিলারসনের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন চীন সফরে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ‘সরাসরি যোগাযোগ’ করছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন ও এএফপির।রোববার রাতে অপর এক টুইটার বার্তায় ট্রাম্প বলেন, তিনি উত্তর কোরিয়াকে ছাড় দিতে মোটেই ইচ্ছুক নন। গত দুই দশক ধরে দেশটির উসকানিমূলক তৎপরতা উপেক্ষা করার নীতিতে কোনো কাজ হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার জন্য তার পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টদের অভিযুক্ত করে বলেছেন, তার প্রশাসন এই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে না। পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এই দুই দেশের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধ করুক। উত্তর কোরিয়া গত বেশ কিছুদিন ধরে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসেই দেশটি ক্ষুদ্রতম হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা চালিয়েছে। এই বোমা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর সংযুক্ত করা যাবে। তাদের এই পরীক্ষা সফল হয়েছে বলে দাবি করেছে পিয়ংইয়ং। এমন প্রেক্ষাপটে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চীন সফরে এমনটাই জানান টিলারসন।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য দেখে মনে হচ্ছে, আলোচনার এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন নাও হতে পারে। রোববার এক টুইট বার্তায় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে বলেছি, তিনি ক্ষুদ্র রকেট মানবের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করে তার সময় নষ্ট করছেন।’ তবে ‘যা করার আমরা তা করব’- এই কথাটি তিনি কেন বলেছেন, কি অর্থে বলেছেন সে বিষয়টি পরিষ্কার করেননি ট্রাম্প। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মন্তব্যের বিপরীতের ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও ট্রাম্পের মন্তব্যের মধ্যে বৈপরিত্য দেখা গেছে। গত আগস্ট মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু হুমকি মোকাবেলা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত রয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই প্রতিরক্ষামন্ত্রী দু’দেশের উত্তেজনা কমিয়ে আনার চেষ্টা করেন এই বলে যে, কূটনৈতিক পদক্ষেপ সফল হতে চলেছে।


  • ক্রাইমনিউজবিডি.কম

    © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    সম্পাদক ও প্রকাশক:
    মোঃ গোলাম মোস্তফা
    সুইট -১৭, ৫ম তলা, সাহেরা ট্রপিক্যাল সেন্টার,
    ২১৮ ডঃ কুদরত-ই-খোদা রোড,
    নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইল - ০১৫৫৮৫৫৮৫৮৮,
    ই-মেইল : mail-crimenewsbd2013@gmail.com

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
    অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
    প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক

  • সামাজিক মাধ্যম