সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন                       রিজার্ভ চুরি : আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলার পরিকল্পনায় বাংলাদেশ ব্যাংক                       উন্নয়ন টেকসই করতে নির্মল প্রবৃদ্ধিকে গুরুত্ব দিতে হবে: বিশ্বব্যাংক                       নতুন করদাতাদের বেশির ভাগের বয়স ৪০ বছরের নিচে: অর্থমন্ত্রী                       এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ       

দেশেই ৭ হাজার কোটি টাকার খেলনা উৎপাদন

প্রতিনিয়ত বাড়ছে এসব সামগ্রী তৈরিতে স্বনির্ভরতা। এক সময় দেশে এসব পণ্যের প্রায় সবই আসত চীন থেকে। কিন্তু এখন চীন নির্ভরতা কমে এসেছে। বর্তমানে চাহিদার ৬০ শতাংশই মিটছে দেশীয় উৎপাদন থেকে।এ খাতের উদ্যোক্তারা প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার খেলনা সামগ্রী উৎপাদন করেন। বাংলাদেশ টয় মার্চেন্টস, ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।সংগঠনটি জানিয়েছে, আগে দেশের চাহিদা পূরণে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার খেলনা সামগ্রী আমদানি হতো। এখন আমদানি করা খেলনার পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।বর্তমানে তিন হাজার কোটি টাকার আমদানি হয়, বাকি চাহিদা দেশে উৎপাদন করেই মেটানো হয়। দেশে এসব পণ্যের মোট বাজার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার। খেলনা তৈরির প্রসারতায় বাড়ছে এর কাঁচামাল আমদানির পরিমাণও।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ খাতের আরও বিকাশে দরকার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা। এক্ষেত্রে খেলনা শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা, প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কছাড় দেয়া, সহজ শর্তে ঋণদান এবং অন্যান্য আইনি সহায়তা পেলে দেশের বড় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে উঠবে এটি।এ বিষয়ে বাংলাদেশ টয় মার্চেন্টস, ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহজাহান মজুমদার বলেন, খেলনা তৈরিতে রিমোর্ট, লাইটিং, প্রিন্টিং, ইলেকট্রুনিকসহ কিছু ছোট ছোট যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। আর এসব কাঁচামালের জন্য আমাদের বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হয়। প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেলে আমরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি বাড়াতে পারি। আমাদের এখানে জায়গার বড় সমস্যা, বিভিন্ন দেশে খেলনা শিল্প নগরী রয়েছে কিন্তু আমাদের তা নেই। সরকারের কাছে আমাদের মূল দাবি হল এ খাতকে এগিয়ে নিতে খেলনা শিল্পনগরী করা হোক।তিনি বলেন, ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা লাগে কোনো ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মাল ফিটিং ও প্যাকিং করতে। আর খেলনা গুদামে রাখতে তো অনেক বেশি জায়গার প্রয়োজন। খেলনা তৈরির কারখানা ও গুদাম স্থাপনের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ দিলে এ শিল্প আরও বেশি লাভজনক হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, আমাদের এ ব্যবসার জন্য অনেক টাকার পুঁজি দরকার হয়। অথচ ব্যাংক থেকে আমরা তেমন কোনো সহযোগিতা পাই না। কারণ ব্যাংক ঋণ নিতে স্থায়ী জায়গার প্রয়োজন হয়। অথচ এখানে প্রায় ৮০ ভাগ ব্যবসায়ী ভাড়া বাসায় ব্যবসা করছেন। ঋণ পেলেও তাতে অনেক চড়া সুদ দিতে হচ্ছে। সরকারের সহায়তা পেলে আমরা দেশের শত ভাগ চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রফতানি করতে পারব।উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুরু থেকে দেশে উন্নত কারিগরি প্রযুক্তির অভাব। দেশীয় লেদ কারখানা থেকে ম্যানুয়ালি মোল্ড তৈরি করতে হচ্ছে। অথচ বিদেশে কম্পিউটারাইজড মেশিনে এ ধরনের মোল্ড তৈরি করা হয় অত্যন্ত নিখুঁত এবং সুন্দরভাবে। যদিও অনেক ব্যবসায়ী চীন ও তাইওয়ান থেকে মোল্ড বা ডাইস করে নিয়ে আসছেন। ডাইস তৈরির কম্পিউটারাইজড মেশিন দেশে থাকলে বাংলাদেশেই অনেক সুন্দর, উন্নত এবং আধুনিক মানের খেলনা তৈরি সম্ভব। বাংলাদেশে তৈরি খেলনা আন্তর্জাতিকমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন ভালো ডাইস ডিজাইনার। দক্ষ, আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন ডিজাইনারেরও অভাব রয়েছে এখানে।


  • ক্রাইমনিউজবিডি.কম

    © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    সম্পাদক ও প্রকাশক:
    মোঃ গোলাম মোস্তফা
    সুইট -১৭, ৫ম তলা, সাহেরা ট্রপিক্যাল সেন্টার,
    ২১৮ ডঃ কুদরত-ই-খোদা রোড,
    নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইল - ০১৫৫৮৫৫৮৫৮৮,
    ই-মেইল : mail-crimenewsbd2013@gmail.com

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
    অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
    প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক

  • সামাজিক মাধ্যম