ড. কামাল হোসেনের ওপর হামলা ফৌজদারি অপরাধ : সিইসি                       বিএনপি নেতা মাহাবুব উদ্দিন খোকন গুলিবিদ্ধ                       ৫২টি স্বর্ণের বার জব্দ ওসমানী বিমানবন্দরে                       আমজাদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ                       জেনে রেখ কেউ চিরস্থায়ী নয়, পুলিশকে ড. কামাল       

ইশতেহার কতটা আকৃষ্ট করবে ভোটারদের

প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পরই শুরু হবে দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠের আসল লড়াই।আর এ লড়াইয়ের অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে নির্বাচনী অঙ্গীকার বা ইশতেহার।ভোটের লড়াইয়ে সবার দৃষ্টি এবার ইশতেহারের দিকে। ভোটারদের কাছে টানতে নানা চমক নিয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ইশতেহার তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে।ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এ ইশতেহারের ভূমিকা একেবারে কম নয়। এখন দেখার বিষয়-দলগুলো তাদের ইশতেহার দিয়ে কীভাবে এবং কতটা ভোটার আকৃষ্ট করতে পারে।‘গ্রাম হবে শহর’- এমন শিরোনাম নিয়ে ইশতেহার প্রস্তুত করছে আওয়ামী লীগ।এতে ডেল্টা প্ল্যান-২১০০, ব্লু ইকোনমি, তরুণদের ক্ষমতায়ন, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স, নারীবান্ধব কর্মসূচি, বয়স্ক পুনর্বাসনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি থাকছে।অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে বেকার ভাতা চালু, সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স বাড়ানো, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল, বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দুর্নীতির বিচার, ন্যায়পাল নিয়োগ, শেয়ারবাজারে লুটপাটে জড়িতদের বিচারের অঙ্গীকার থাকছে।তবে সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোসহ কয়েকটি বিষয়ে মিল রয়েছে তাদের খসড়া ইশতেহারে।এ ছাড়া আওয়ামী লীগের ইসতেহারে থাকছে-তরুণদের ক্ষমতায়ন, নতুন ভোটারদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, ঘোষিত ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, মেগাপ্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন কৌশল, নারীবন্ধব কর্মসূচি, বয়স্ক পুনর্বাসন ও বিশ্বব্যাপী ব্যবসা সম্প্রসারণ নীতি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের রোডম্যাপ স্থান পেয়েছে এতে।আওয়ামী লীগের ইশতেহার প্রণয়ন উপকমিটির একাধিক সদস্য এসব তথ্য জানিয়েছেন।ক্ষমতাসীন দলের ইশতেহার প্রণয়ন উপকমিটির আহ্বায়ক ও দলটির জাতীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের এ নির্বাচনের ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হবে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাওয়ার গতিকে আরও বেগবান করা।ইশতেহারে প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে- ৭.৮ প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ানো। আমরা দারিদ্র্য আরও কমাতে চাই।সেটিও নির্বাচনী ইশতেহারে ওঠে এসেছে।প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা হতে পারে বলে জানান তিনি।সব ঠিক থাকলে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এ ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।১১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়া সফরের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী সফর শুরু করলে ১০ ডিসেম্বরও ঘোষণা হতে পারে ইশতেহার-এমনটি জানিয়েছে আওয়ামী লীগের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।অন্যদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে বেশ কিছু চমক থাকছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে। বেকার ভাতা চালু, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বসয় বাড়িয়ে ৩৫, অবসরের সময় বাড়িয়ে ৬৫, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা আইন বাতিলের প্রতিশ্রুতিসহ থাকছে অনেক কিছু।ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরিসহ এ সংক্রান্ত একটি ধারণা দেয়া হবে ইশতেহারে। তরুণ ও নারী ভোটারদের আকৃষ্ট করতে থাকবে প্রতিশ্রুতি।প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধাসহ সব কোটা যৌক্তিক হারে সংস্কার, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয়সহ নতুন ধারার রাজনীতি ও সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, কৃষি, পররাষ্ট্রনীতিসহ প্রত্যেক খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালু, ৩ বছরের মধ্যে সব সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষা দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার পদক্ষেপও থাকবে।বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঘোষিত ভিশন-২০৩০ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা ও ১১ লক্ষ্যের আলোকেই তৈরি হচ্ছে এ ইশতেহার। জানা গেছে, এরই মধ্যে ইশতেহারের খসড়ার কাজ প্রায় শেষ। জনগণের মতামত নিতে শিগগিরই খসড়াটি বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের ওয়েবসাইটে দেয়া হতে পারে।আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর ঘোষণা দেয়া হবে ইশতেহার। দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। এমনকি বিএনপি না ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হবে তাও চূড়ান্ত হয়নি।তবে একই দিন একই সময়ে ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির পক্ষ থেকে একযোগে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হতে পারে।সে ক্ষেত্রে দুই ইশতেহারে কিছু বিষয় আলাদা হতে পারে।সূত্র জানায়, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নেতারা এখনও একমত হতে পারেননি।ঐক্যফ্রন্টের কয়েকটি শরিক ক্ষমতায় গেলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রতিশ্রুতি ইশতেহারে তুলে ধরতে চাইছে।এর মধ্যে একই ব্যক্তির দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী হওয়া যাবে না অন্যতম।ফ্রন্টের শরিকদের এমন প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি বিএনপি।এ নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ক্ষমতায় গেলে নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থার একটি স্থায়ী রূপ দেয়ার ব্যাপারে সবাই একমত।এ ব্যাপারে ইশতেহারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব থাকবে।সূত্র জানায়, ইশতেহার তৈরিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে একটি কমিটি করা হয়েছে।এতে বিএনপি থেকে সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, গণফোরামের আ ও ম শফিক উল্লাহ, জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ইকবাল সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের ডা. জাহেদ উর রহমান রয়েছেন।আর এ কমিটির মূল দায়িত্বে আছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তবে ঐক্যফ্রন্টের এ কমিটি গঠনের অনেক আগেই ইশতেহার নিয়ে কাজ করছেন বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতাসহ একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল।ইশতেহার সামনে রেখে তারা ভিশন-২০৩০ তৈরি করেন, যা দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, এর আলোকেই হবে আগামী দিনের ইশতেহার।দায়িত্বপ্রাপ্তরা সেই অনুযায়ী খসড়া তৈরি করেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গঠিত কমিটির কাছে বিএনপির এ খসড়া ইশতেহারই দেয়া হয়েছে। তারা ভিশন-২০৩০ ও ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা এবং ১১ লক্ষ্যকে সামনে রেখে এটি চূড়ান্ত করছেন।জানতে চাইলে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের জন্য আমাদের ইশতেহার তৈরির কাজ চলছে। এতে তরুণ ও নারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। জনগণের মতামত নিতে ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে এর খসড়া বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।সূত্র জানায়, ইশতেহারে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও স্বঅবস্থান-এ তিন অঙ্গীকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দিয়ে নবধারার রাজনীতি ও সরকার গঠনের অঙ্গীকার থাকবে। গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে-আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও।ক্ষমতায় গেলে কোনো জঙ্গিগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেয়া, সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়- এ নীতির আলোকে জনস্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তাকে সমুন্নত রেখে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পালন করার প্রতিশ্রুতি থাকবে।জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আগামীতে জনগণের জন্য আমরা কী কী করতে চাই তা ইশতেহারে তুলে ধরা হবে।এ ব্যাপারে আমাদের নেত্রী ভিশন ২০৩০-এ কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭ দফা ও ১১টি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সব সমন্বয় করে ইশতেহার তৈরি করা হবে।জানা গেছে, খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন-২০৩০-এ ৩৭টি বিষয়ে ২৫৬টি দফা রয়েছে। সেখানে বিষয় ও দফাগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হয়। ইশতেহারে তা বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। কিভাবে এসব বিষয় বাস্তবায়ন করা হবে তার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকছে এতে।সুশাসন, সুনীতি ও সু-সরকারের (থ্রিজি) সমন্বয় ও বৃহত্তর জনগণের সম্মিলনের মাধ্যমে ‘ইনক্লুসিভ সোসাইটি’ গড়ার অঙ্গীকার থাকবে ইশতেহারে। প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বাইরে গিয়ে ক্ষমতার ভারসাম্য ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকবে। প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ-এ নীতির ভিত্তিতে সরকার পরিচালনায় পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ মালিকানা নির্বাচনে পরাজিত দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জন্যও থাকার বিষয়টি আশ্বস্ত করা হবে।ইশতেহারে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের অঙ্গীকার থাকবে। সমাজের বিশিষ্টজনদের সমন্বয়ে সংসদে উচ্চকক্ষ সৃষ্টি করা হবে।ইশতেহারে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে আইনের শাসনের ওপর।বিচার বিভাগকে পুরোপুরি স্বাধীন করতে নিু আদালতকে সুপ্রিমকোর্টের অধীন করা হবে। বিভাগীয় সদরে হাইকোর্টের বেঞ্চ, মামলা জট কমানোর নানা পদক্ষেপের সঙ্গে উচ্চ আদালতের বার্ষিক ছুটি ৬ সপ্তাহে সীমিত করা, প্রশাসন ও বিচার বিভাগে দলীয়করণের অবসান ঘটিয়ে মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা থাকবে।অহেতুক মামলা জট কমানোর লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ মানহানির মামলা করতে পারবেন না।মতপ্রকাশের অবারিত স্বাধীনতা, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল করা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, রিমান্ডে নির্যাতন পুরোপুরি বন্ধ করার মতো বিষয়গুলো থাকবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দুর্নীতির বিচার করা, ন্যায়পাল নিয়োগ, দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তাদের গ্রেফতারে সরকারের অনুমতির বিধান বাতিল করা, শেয়ারবাজারে লুটপাটে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার করার কথাও থাকবে ইশতেহারে।শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, স্বাস্থ্য খাতে আলাদা পরিকল্পনা থাকবে ইশতেহারে। এর মধ্যে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা, সব জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও ৫০০ শয্যার হাসপাতাল, সিসিইউ, আইসিইউ, এনআইসিইউ, কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার, ক্যান্সারের কেমোথেরাপি সেন্টার গড়ে তোলার আশ্বাস থাকবে।ওষুধ ও ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার খরচ কমানোর কথাও রয়েছে।নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার বিচার, পরিবহন নীতি প্রণয়ন, ইন্টারনেট খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনা, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, রোহিঙ্গা সমস্যাসহ অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করার কথাও থাকবে ইশতেহারে।গার্মেন্ট এলাকায় শ্রমিকদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রথার পরিবর্তে সরাসরি নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ২০ শতাংশ মনোনয়ন বিধান করে দুই মেয়াদের পর আর সংরক্ষিত আসন না রাখার মতো বিষয়গুলো রয়েছে।কৃষকরা যাতে পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, সে জন্য উৎপাদক সমবায় সমিতির মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণ করা হবে।প্রয়োজনে কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য ভর্তুকি দেয়া হবে। যাতে কৃষিতে কর্মসংস্থান বাড়ে এবং পাশের দেশগুলো থেকে কৃষিজাত পণ্যের আমদানি কমে।এ ব্যাপারে মাহফুজ উল্লাহ বলেন, ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির কাজ চলছে।তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি।ইশতেহার গতানুগতিক হবে না। অনেক চমক থাকবে।তরুণ ও নারী ভোটারদের আকৃষ্ট করতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রতিশ্রুতি থাকবে। শুধু ভোটার নয়, দেশের আপামর জনসাধারণের চিন্তাচেতনা ও প্রত্যাশাই তুলে ধরা হবে ইশতেহারে।


  • ক্রাইমনিউজবিডি.কম

    © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    সম্পাদক ও প্রকাশক:
    মোঃ গোলাম মোস্তফা
    সুইট -১৭, ৫ম তলা, সাহেরা ট্রপিক্যাল সেন্টার,
    ২১৮ ডঃ কুদরত-ই-খোদা রোড,
    নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইল - ০১৫৫৮৫৫৮৫৮৮,
    ই-মেইল : mail-crimenewsbd2013@gmail.com

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
    অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
    প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক

  • সামাজিক মাধ্যম