ঢাকাটাইমস, প্রিয়ডটকমসহ ৫৮ নিউজ সাইট বন্ধের নির্দেশ                       ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা                       ছয় দফা কার্যকর হলেই ক্লাসে ফেরার ঘোষণা ভিকারুননিসার ছাত্রীদের                       বিশ্বের ২৬তম ক্ষমতাধর নারী শেখ হাসিনা                       রাজধানীতে ট্রাক চাপায় ছাত্রলীগ নেতা নিহত       

মাঝপথে বিপত্তি, ফিরে এলো রাশিয়ার সয়ুজ রকেট

রাশিয়ার উৎক্ষেপন করা একটি সয়ুজ রকেটে ত্রুটি দেখা যাওয়ার পর এটির দুই নভোচারীকে বহনকারী ক্যাপসুলটি ফিরে এসেছে এবং নিরাপদে কাজাখাস্তানে অবতরণ করেছে।রুশ নভোচারী আলেক্সেই ওভচিনিন এবং মার্কিন নভোচারী নিক হেগ এই রকেটে করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে (আইএসএস) যাচ্ছিলেন। তারা দুজনেই ভালো এবং নিরাপদ আছেন বলে বলা হচ্ছে।তাদের বহনকারী ক্যাপসুলটি কাজাখাস্তানের যে অঞ্চলে অবতরণ করেছে সেখানে তাদের খোঁজে তল্লাশি দল পাঠানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য তাদের বহনকারী রকেটটি উৎক্ষেপন করা হয় বৃহস্পতিবার ভোরে। এটি ছয় ঘন্টা পর আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছানোর কথা ছিল।কিন্তু সয়ুজ রকেটের 'বুস্টারে' কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়ার পর এটিকে 'ব্যালিস্টিক ডিসেন্ট মডে' পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হয় বলে জানাচ্ছে নাসা। 'ব্যালিস্টিক ডিসেন্ট মড' মানে হচ্ছে সাধারণত যে কোনাকুনি পথে কোন রকেট পৃথিবীতে ফিরে আসে, তার চেয়ে অনেক খাড়া বা সোজা পথে এটিকে পৃথিবীতে অবতরণ করানো।রুশ নভোচারী আলেক্সেই ওভচিনিন এবং মার্কিন নভোচারী নিক হেগ আগামী ছয় মাস আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে থাকবেন বলে কথা ছিল।রুশ নির্মিত সয়ুজ রকেটের ডিজাইন করা হয়েছে বহু দশক আগে। কিন্তু এটিকে এখনো বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ রকেটগুলোর একটি বলে মনে করা হয়।এই মূহুর্তে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে যাতায়তের জন্য এই সয়ুজ রকেটই একমাত্র ভরসা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ যান কর্মসূচী শাটল বন্ধ করে দেয়া হয় অনেক বছর আগে।যে কারিগরি ত্রুটির কারণে এই রকেটটি তার যাত্রা শেষ করতে পারলো না, তাকে মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় 'স্টেজিং।' উপরে উঠতে থাকা রকেটের যে অংশগুলোর জ্বালানি এর মধ্যে শেষ হয়ে গেছে, সেই খালি অংশগুলোকে খসিয়ে দেয়ার নাম স্টেজিং।বলা হচ্ছে এই স্টেজিং এর সময় রকেটে থাকা দুই নভোচারী আঁচ করতে পেরেছিলেন যে কোন একটা গোলমাল হয়েছে কারণ তারা ওজনহীনতায় ভুগছিলেন। ঐ সময় তাদের ওজনহীন থাকার কথা নয়, পরিবর্তে তারা বরং তাদের বসে থাকা আসনের দিকে একটা প্রবল টান অনুভব করার কথা।এ ধরণের পরিস্থিতিতেই নভোচারীদের 'এসকেপ সিস্টেম' ব্যবহার করতে বলা হয়।দুই নভোচারীর পৃথিবীতে ফিরে আসার যাত্রা খুব স্বস্তিকর ছিল না বলেই মনে করা হচ্ছে। যেরকম খাড়া পথে তারা ফিরে আসেন, তাতে প্রচন্ড মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মোকাবেলা করতে হয়েছে তাদের।

 

২০১৬ সালে সয়ুজ রকেটে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ফিরে আসা এক নভোচারী টিম কোপরাকে অবতরণের পর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।রাশিয়ার রকেট কর্মসূচীর বর্তমান হাল নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তারা আগের বছরগুলোর মতো তাদের মহাকাশযানের মান বজায় রাখতে পারছে কীনা সে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর এ নিয়ে উদ্বেগ যে আরও বাড়বে সন্দেহ নেই। যুক্তরাষ্ট্র তার শাটল কর্মসূচী পরিত্যাগ করার পর এখন একটি নতুন রকেট সিস্টেম উদ্ভাবন করার চেষ্টা করছে। আগামী বছর এই নতুন রকেট উৎক্ষেপন করার কথা।


  • ক্রাইমনিউজবিডি.কম

    © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    সম্পাদক ও প্রকাশক:
    মোঃ গোলাম মোস্তফা
    সুইট -১৭, ৫ম তলা, সাহেরা ট্রপিক্যাল সেন্টার,
    ২১৮ ডঃ কুদরত-ই-খোদা রোড,
    নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইল - ০১৫৫৮৫৫৮৫৮৮,
    ই-মেইল : mail-crimenewsbd2013@gmail.com

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
    অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
    প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক

  • সামাজিক মাধ্যম