নৌবন্দরসমূহে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত                       হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি মঙ্গলবার                       খুলনায় ৮শ' মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়                       ঢাকায় নেমেই কক্সবাজার গেলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া                       আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভা সন্ধ্যায়       

রাজশাহীকে উন্নয়নের ধারায় ফিরাতে লিটনকে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই

সাবিত হোসেনঃনাগরিক কমিটি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, অতীতের অবহেলিত রাজশাহী নগরীকে উন্নয়ন ধারায় ফিরিয়ে এনেছিলেন রাজশাহীর সাবেক মেয়র এএইচএম খায়র্বজ্জামান লিটন। সে ধারায় ফিরাতে লিটনকে পুনরায় নির্বাচিত করতেই হবে। রাজশাহীর উন্নয়নে লিটনের কোন বিকল্প নাই।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরীর মুন লাইট গার্ডেনে মহানগর নাগরিক কমিটি আয়োজিত রাজশাহীর উন্নয়ন, নির্বাচন ও নাগরিক সমাজের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, ২০০৮ সালে খায়র্বজ্জামান লিটন রাজশাহীর মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হবার পর নগরীর বৈপৱবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল, রাস্তা-ঘাট,শিৰা প্রতিষ্ঠান ও নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছিল পরবর্তী রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তার পরাজয়ের পর রাজশাহীর উন্নয়ন অনেক পিছিয়ে গেছে। যা উন্নয়ন হয়েছে সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশার প্রচেষ্টায় হয়েছে। তাই আমরা লিটনকে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই। রাজশাহীর উন্নয়নের স্বার্থে আমরা যে যেখানে থাকি না কেন খায়র্বজ্জামান লিটনের বিজয়ের জন্য কাজ করবো।
নাগরিক কমিটির আহবায়ক ভাষাসৈনিক আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র এএইচএম খায়র্বজ্জামান লিটন।
সভাপতির বক্তব্যে আবুল হোসেন বলেন, এই মতবিনিময় সভায় রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশার উপসি’তিরও প্রয়োজন ছিল। আমরা চাই ২০০৮ সালের রাসিক নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনেও মুক্তিযুদ্ধের সকল পৰের শক্তিকে এক হয়ে লিটনকে জয়যুক্ত করতে হবে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, জামায়াত নেতা আতাউর রহমানের জানাজায় গিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বক্তব্য দিয়েছেন, এতে আওয়ামী লীগেরই ভাবমূর্তি ৰুণ্ন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পৰের মানুষের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন নর্থবেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর সাইদুর রহমান খান, রাবি’র সাবেক উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. নূর্বলৱাহ, বিশিষ্ট সমাজকর্মি শাহীন আক্তার রেণী, কবি কুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক কবি আরিফুল হক কুমার, অধ্যৰ আমিনুর রহমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার ঘোষ, মহিলা পরিষদের জেলা সভাপতি কল্পনা রায়, মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগারের সভাপতি প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জেলা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক উপাধ্যৰ কামর্বজ্জামান। এতে উপসি’ত সুধিজনদের পৰ থেকেও মতমত ব্যক্ত করা হয়।

 
 


  • ক্রাইমনিউজবিডি.কম

    © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    সম্পাদক ও প্রকাশক:
    মোঃ গোলাম মোস্তফা
    সুইট -১৭, ৫ম তলা, সাহেরা ট্রপিক্যাল সেন্টার,
    ২১৮ ডঃ কুদরত-ই-খোদা রোড,
    নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইল - ০১৫৫৮৫৫৮৫৮৮,
    ই-মেইল : mail-crimenewsbd2013@gmail.com

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
    অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
    প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক

  • সামাজিক মাধ্যম